হ্যাকিং কি, কত প্রকার? ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে বিস্তারিত।

বর্তমানে হ্যাকিং বিষয়টি খুবই প্রচলিত। আমরা অনেকেই হ্যাকিং শিখতে চাই বা হ্যাকার হতে চাই।
তবে ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে সঠিক এবং সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া কঠিন। এই আর্টিকেল এ ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে বিস্তারিত এবং সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

ইথিক্যাল হ্যাকিং কি সেটা বোঝার আগে আপনাকে হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে হবে।

হ্যাকিং কি, কত প্রকার ও কি কি?

অন্যের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ডিভাইসে (মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ডিজিটাল ওয়াচ, টিভি, সিসি ক্যামেরা ইত্যাদি) বৈধ ও অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা এবং তার তথ্যের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

আর যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে হ্যাকার বলা হয়।

হ্যাকার মূলত ০৩ প্রকার। হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার এবং গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

এই তিন ধরনের হ্যাকারদের বাইরে আরও কিছু হ্যাকার দেখা যায়। যেমন: এলিট হ্যাকার, স্ক্রিপ্টকিডি হ্যাকার, নিউ ফাইট বা নুব হ্যাকার ইত্যাদি।

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা শিখুন।

০১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার।

এদেরকে ইথিক্যাল হ্যাকারও বলা হয়। বেশিরভাগ মানুষ মনে করে থাকেন। হ্যাকিং খারাপ কাজে ব্যাবহার করা হয় এবং এটা সম্পূর্ণ ভুল। আসলে তাদের ধারণাটা সম্পূর্ণ সঠিক না।

শুনলে অবাক হবেন অনেক গভমেন্ট সাইটকে টেরোরিস্টদের হাত থেকে রক্ষা করে চলেছে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের কোম্পানি বা অর্গানাইজেশন এর সিস্টেম সিকিউরিটি হিসেবে রাখা হয়। অর্থাৎ, এরা কোম্পানির সিস্টেমকে রক্ষা করে থাকে, অন্যান্য হ্যাকারদের থেকে।

আর এই আর্টিকেল টি মূলত ইথিক্যাল হ্যাকিং বা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার্সদের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে লেখা হয়েছে।

০২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

এরা হ্যাকার হলেও নির্দিষ্ট কারো হয়ে কাজ করে না। কারণ গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা হোয়াইট হ্যাট এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের তুলনায় কম এক্সপার্ট হয়ে থাকে।

এরা অনেক সময় আপনার কম্পিউটার হ্যাক করবে। কিন্তু কোনো ক্ষতি করবেনা। আবার কোনো ভাবে আপনাকে বুঝিয়ে দিবে আপনার কম্পিউটার হ্যাক হয়েছিল।

০৩. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

যে সকল হ্যাকাররা নিজেদের স্বার্থের জন্য বা নিজেদের লাভের কথা চিন্তা করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় অন্যের তথ্য চুরি করে ব্যাবসা অথবা ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ উপার্জন করে। তাদেরকে মূলত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার বলা হয়।

যেমন কেউ ব্যাংকের সার্ভার হ্যাক করে ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করে নিলো।

অথবা কোনো গোভমেন্ট সাইটের তথ্য হ্যাক করে অন্য গভমেন্ট এর কাছে পাচার করলো।

এই ধরনের হ্যাকারদেরকে মূলত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার বলা হয়ে থাকে।

০৪. এলিট হ্যাকার

এরা খুবই এক্সপার্ট বা দক্ষ হ্যাকার হয়ে থাকে। এরা সিস্টেম ক্র্যাক করে ভিতরে ঢুকে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে। প্রোগ্রামিং এ এরা অত্যন্ত দক্ষ হয়ে থাকে।

০৫. স্ক্রিপ্টকিডি হ্যাকার

এরা সিস্টেম হ্যাক করার জন্য অন্যান্য হ্যাকারদের টুলস, স্ক্রিপ্ট ইত্যাদি ব্যাবহার করে থাকে। স্ক্রিপ্টকিডি নিজেরা টুলস বা স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে পারে না।

০৬. নিউফাইট বা নুব হ্যাকার

এরা হ্যাকিং জগতে শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ, এদেরকে নিউ বি বা নুব বলা হয়।

ইথিক্যাল হ্যাকিং কি?

ইথিক্যাল শব্দের অর্থ নৈতিক। অর্থাৎ, ইথিক্যাল হ্যাকিং মানে বৈধ হ্যাকিং। কোনো কোম্পানি তাদের সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে সেটা ঠিক করানোর জন্যই ইথিক্যাল হ্যাকার বা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার Hire করে থাকে।

ইথিক্যাল হ্যাকিং মূলত কোন কোম্পানির ভালোর জন্য তার সিষ্টেমের দূর্বল পয়েন্ট খুজে বের করে তা সমাধান করা।

ইথিক্যাল হ্যাকার বা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোম্পানির সিস্টেম গুলো চেক করে এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার্সদের মতো করে হ্যাক করে। আর এইভাবে কোম্পানির সকল সিস্টেমের দুর্বলতা খুজে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের হাত থেকে কোম্পানির সিস্টেমকে রক্ষা করা হয়। আর এই বৈধ হ্যাকিং প্রক্রিয়াকে ইথিক্যাল হ্যাকিং বলা হয়।

অবশ্যই পড়ুন,

ইথিক্যাল হ্যাকিং বই

হ্যাকিং শেখার জন্য এই সম্পর্কিত বই এর গুরুত্ব অপরিসীম। আর যেহেতু আমাদের দেশে হ্যাকিং টিউটোরিয়াল সম্পর্কিত বই খুব কমই আছে। আর এই ধরনের খুঁজে পাওয়া যেমন কঠিন। তেমনি টাকা খরচ করে যে বইটি কিনবেন। সেটা আসলে কতটুকু তথ্য বহুল তা জানার দরকার আছে।

একটি বই পড়ে হয়তো আপনি পুরোপুরি হ্যাকার হয়ে উঠতে পারবেন না। তবে হ্যাকিং এর বেসিক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

আপনি জানতে পারবেন কিভাবে একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার বা ওয়েবসাইট কিভাবে হ্যাক করা হয়। কিভাবে একটি ডজ, ফিশিং কিংবা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক করা হয়। এবং হ্যাকিং করার জন্য কি ধরনের টুলস ব্যবহার করা হয়।

আর এই ধরনের বেসিক নলেজ ছাড়া কোনোভাবেই একজন ভালো ইথিক্যাল হ্যাকার হওয়া সম্ভব না।

এরপর আপনাকে হ্যাকার হয়ে উঠতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

আর এই ধরনের বই যদি বাংলায় পিডিএফ আকারে পাওয়া যায়। তাও আবার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। হ্যা বন্ধুরা, নিচ থেকে আপনার পছন্দের পিডিএফ বইটি ডাউনলোড করে নিন।

যারা বই পড়ে হ্যাকিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। তারা নিচের পিডিএফ বই গুলো পড়ে দেখতে পারেন।

এই বই গুলোতে হ্যাকিং এর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে। যা পরবর্তীতে আপনাকে প্রফেশনাল হ্যাকার হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

ইথিক্যাল হ্যাকিং বাংলা কোর্স ফ্রি

ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখবেন আর কোর্স করবেন না। সেটা কোনো ভাবেই সম্ভব না। বন্ধুরা ইথিক্যাল হ্যাকিং অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়।

তবে সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এবং ইথিক্যাল হ্যাকিং এর কোর্স করলে আপনিও একজন ইথিক্যাল হ্যাকার হয়ে উঠতে পারেন।

নিচে ইথিক্যাল হ্যাকিং এর কিছু প্রয়োজনীয় কোর্স সমূহের লিংক দেওয়া হলো।

YouTube channel – Darun IT

YouTube channel – Pentanik IT Solution Park

  • Learn Ethical hacking full course in 10 hours.

ইথিক্যাল হ্যাকিং এর প্রয়োজনীয়তা

ইথিক্যাল হ্যাকিং এর জন্য আপনার দক্ষতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি অনেক হ্যাকার গ্রুপ আছে। যারা ব্যাক্তিগত স্বার্থে অবৈধভাবে হ্যাকিং করে থাকে।

আর যারা ইথিক্যাল হ্যাকার বা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার। এরা মূলত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি হ্যাকার গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করে। এবং বিভিন্ন কোম্পানি, প্রতিষ্ঠানকে সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।

এজন্য বলা যায় ইথিক্যাল হ্যাকিং এর গুরুত্ব কত বেশি।

ইথিক্যাল হ্যাকিং ক্যারিয়ার

ইথিক্যাল হ্যাকিং এর বিভিন্ন সেক্টর আছে। এর যেকোনো একটি নিয়ে আপনি কাজ শুরু করতে পারেন।

হ্যাকাররা যে টেকনোলজি দিয়ে হ্যাক করবে। একজন ইথিক্যাল হ্যাকার বা সাইবার সিকিউরিটি হিসেবে আপনাকে তার থেকে অ্যাডভান্স টেকনোলজি ব্যবহার করে হ্যাকারকে রোধ করতে হবে।

ইথিক্যাল হ্যাকিং এর দুইটি পার্ট রয়েছে। একটিকে বলে রেড টিম এবং একটিকে বলে ব্লু টিম।

রেড টিমের কাজ হচ্ছে ওয়েবসাইট হ্যাক করে দুর্বলতা খুজে বের করা। কোনো ধরনের বাগ আছে কিনা এবং থাকলে দ্রুত সেগুলো চিহ্নিত করা।

ব্লু টিম সবসময় হ্যাকিং প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত থাকে। কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে হ্যাকিং হলে। ওই কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ইথিক্যাল হ্যাকারদের ব্লু টিম অবৈধ হ্যাকারদের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে। এবং এনালাইসিস করে যত দ্রুত সম্ভব সবকিছু নিজেদের কন্ট্রোলে নিয়ে আসার চেষ্টা করে।
এজন্য এদেরকে সিকিউরিটি এনালিস্টও বলা হয়।

রেড টিম এবং ব্লু টিম আপনি এই দুই দিকেই আপনার ক্যারিয়ার এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তো প্রথমে আপনাকে যেকোনো একটি সিলেক্ট করতে হবে।

রেড টিমে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে হলে আপনাকে কোনো কোম্পানিতে জব করতে হবে না। কারণ অনলাইনে এরকম অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেখানে আপনি আপনার ইথিক্যাল হ্যাকিং স্কিল দিয়ে হিউজ পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন। যেমন ধরুন ফাইভার, অপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি অনেক সাইট আছে। যেখানে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন।

অনেক সময় বড় বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের সিকিউরিটি চেক করার জন্য ইথিক্যাল হ্যাকার হায়ার (Hire) করে থাকে।

আপনি যদি ব্লু টিম নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান। তাহলে আপনাকে যেকোনো একটি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতে হবে। কারণ কোনো কোম্পানির ওয়েবসাইটে হ্যাক হলে। ওই কোম্পানির সিকিউরিটি এনালিস্ট গ্রুপ সাথে সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

আর এই প্রতিরোধ করতে দেরি হলে কোম্পানির সকল সিস্টেম হ্যাক হয়ে যেতে পারে মুহূর্তেই। এজন্য সিকিউরিটি এনালিস্ট বা ব্লু টিমকে সবসময় তৎপর থাকতে হয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা/দক্ষতা

কম্পিউটার সায়েন্স অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর একটি ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রী লাগবে। এবং নতুন টেকনোলজি শেখার জন্য প্রচণ্ড স্পৃহা থাকতে হবে।

ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখে ফ্রিল্যান্সিং

যদি প্রশ্ন করা হয় ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতা অর্জন করার মূলমন্ত্র কি? তাহলে এর উত্তর হবে স্কিল বা দক্ষতা। আপনি যেকোনো ভাবেই ফ্রিল্যান্সিং করেন না কেনো। সেক্ষেত্রে আপনার দক্ষতাই আপনাকে সফলতার মুখ দেখাবে। তো সাইবার সিকিউরিটি বা ইথিক্যাল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রেও একই প্রসেস। তো কি কি বিষয়ে দক্ষ হলে আপনার সিকিউরিটি বেসিক্যাল হ্যাকিং বিষয়ে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে সফল হতে পারবেন। চলুন, সে বিষয়ে ধারণা দেয়া যাক।

ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি যে চাহিদা রয়েছে সেটা হলো ডেটা সিকিউরিটি। আপনি যদি ডেটা সিকিউরিটি এক্সপার্ট হয়ে থাকেন। তাহলে আপনি আপনার ক্লায়েন্ট এর ডেটা রিকভারি করে আয় করতে পারেন।

ডেটা সিকিউরিটি বা ডেটা রিকভারি যেভাবে করবেন।

মূলত ফ্রিল্যান্সিং এ বেশিরভাগ ক্লায়েন্টরা আসেন তাদের যে সমস্যা নিয়ে। সেগুলো হলো তাদের ডেটা এনক্রিপ্টেড হয়ে যায়। আবার ডেটা ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পুরোপুরি বা আংশিক ভাবে নষ্ট হয়ে যায়।

তো আপনি যদি ডেটা সিকিউরিটি এক্সপার্ট হতে চান। তাহলে আপনাকে প্রথমেই ডেটা রিকভারি টুলস গুলো নিয়ে রিচার্স করতে হবে। এবং ডেটা রিকভারি টুলস গুলোর ব্যবহার জানতে হবে। আপনাকে জানতে হবে কি কি ফ্যাক্টর নিয়ে কাজ করলে ড্যামেজ ডেটা রিকভারি করা যায়। অর্থাৎ, ডেটা রিকভারি নিয়ে সকল টুলস এবং ট্রিকস জানতে হবে এবং সেটা একাধিক বার প্র্যাকটিস করতে হবে।

ডেটা রিকভারির সাথে আপনাকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ডেটার সিকিউরিটি কিভাবে দিবেন সেটা জানতে হবে। অর্থাৎ, ওয়েব বেজ সিকিউরিটি সম্পর্কে বিস্তর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। এজন্য আপনাকে জানতে হবে ওয়েবসাইটের ডাটাবেজ কিভাবে কাজ করে।

ডেটা রিকভারি টুলস গুলো আপনি গিটহাবে পেয়ে যাবেন। আর বর্তমানে ডেটা সিকিউরিটি নিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের কোর্স করানো হয়। আপনি এই ধরনের ফ্রি/প্রিমিয়াম কোর্স গুলো করতে পারেন। ইউটিউবেও ডেটা সিকিউরিটি রিলেটেড অনেক ভিডিও খুজে পাবেন।

ডেটা সিকিউরিটি এক্সপার্ট হতে হলে আপনাকে অবশ্যই তিনটি বিষয় জানতে হবে।

01. Confidentiality বা গোপনীয়তা

Confidentiality মানে হচ্ছে আমি আপনাকে একটি তথ্য পাঠাচ্ছি। এটা শুধু আপনিই রিসিভ করতে পারবেন।

02. Integrity বা অখণ্ডতা

Integrity হচ্ছে আমি আপনাকে যে ম্যাসেজটি পাঠিয়েছি। সেই তথ্যটি চেঞ্জ হয়ে যায়নি। অর্থাৎ, আমি আপনাকে যে তথ্য পাঠিয়েছি। আপনি সেটাই পেয়েছেন।

03. Authentication বা প্রমাণীকরণ

Authentication মানে যে তথ্যটি আমি আপনাকে পাঠিয়েছি। আমিই যে সেটা পাঠিয়েছি। এটা আপনি কিভাবে বুঝবেন?

এই তিনটি বিষয় আপনাকে ডেটা সিকিউরিটি ইনশিউর করার জন্য যথেষ্ট।

নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি বা রিকোভারি যেভাবে করবেন।

ক্লায়েন্টরা অনেক সময় নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি এক্সপার্টদের কাছে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য চাই। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানতে হবে। সেগুলো হলো নেটওয়ার্ক কিভাবে কাজ করে? নেটওয়ার্ক এর লেয়ার কিভাবে কাজ করে? ফায়ারবস গুলো কিভাবে কাজ করে? এবং নেটওয়ার্কিং এর প্রোটোকলস গুলো কিভাবে কাজ করে? অর্থাৎ, নেটওয়ার্ক সিস্টেমের এসকল বিষয় গুলো সম্পর্কে জানলে আপনার ক্লায়েন্ট কে সন্তুষ্ট করতে পারবেন।

ওয়েব সিকিউরিটি যেভাবে করবেন

ওয়েব সিকিউরিটি এক্সপার্ট হওয়ার জন্য আপনাকে জানতে ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ সিস্টেম কিভাবে কাজ করে? এই সম্পর্কে বিস্তারিত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। তবে ইথিক্যাল হ্যাকিং এর সবচেয়ে কঠিন বিষয় গুলোর মধ্যে এটা একটি।

ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার শুরু করবেন যেভাবে।

ফ্রিল্যান্সাররা মূলত বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট থেকে যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভার এছাড়া আরও কিছু ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট থেকেই মূলত ফ্রিল্যান্সিংয়ের অফার পেয়ে থাকে।

তো আপনি যদি ইথিক্যাল হ্যাকিং এর যেকোনো একটি বিষয় সম্পর্কে এক্সপার্ট হয়ে থাকেন। তাহলে উপরে উল্লেখিত সাইটে প্রবেশ করে। নিজের জন্য একটি ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলুন।

2 মন্তব্যসমূহ

  1. প্লিজ রিপ্লাই দিবেন জবাব

    আমার কম্পিউটার সায়েন্স উপর ব্যাচেলর ডিগ্রি নেই। এখন ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করা সম্ভব ও না। কিন্তু আমার কম্পিউটার বেসিক নলেজ আছে আর আছে প্রচুর স্পৃহা এবং আগ্রহ। দয়া করে বলবেন,আমি এখানে সফল হতে পারব কি না???? কিংবা কত বছর লাগবে এই কোর্স কমপ্লিট করতে? দয়া করে উত্তর জানাবেন।

    • admin প্রকাশনার লেখকজবাব

      দেখেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেভাবে আপনাকে শিখাবে অন্য কেউ শিখাতে পারবে না।

      আপনার মত এরকম অনেক লোক আছে যাদের স্বপ্ন থাকে কম্পিউটার সাইন্স কিন্তু বিভিন্ন কারণে আর পড়া হয়ে ওঠে না।

      আরেকটি কথা আপনার যদি একান্তই প্যাশন থাকে কোন কোর্সে ভর্তির দরকার নেই আপনি ইংলিশ ব্লগ গুলো পড়তে পারেন।

      এর পাশাপাশি ইথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে কোর্স করতে পারেন। তবে যেহেতু কম্পিউটার সায়েন্সে আপনার ব্যাচেলর ডিগ্রী নেই। সেহেতু এই বিষয়ে আপনি প্রফেশনাল হতে পারবেন না। তবে মুক্ত পেশা বা ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।